ফ্যাটি লিভার কেন হয় এর বাঁচার উপায়
ফ্যাটি লিভার স্বাভাবিকভাবে চেয়ে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলে
সাধারণত ও স্বাস্থ্যকর খাবার মাথা হারারি পরিশ্রমের অভাব এবং অতিরিক্ত ওয়েল
ওয়েল সেবনের কারণে এটি হয় মন খাদ্য নিয়মিত ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং মদ পান
ত্যাগের মাধ্যমে
সূচিপত্রঃ ফ্যাটি লিভার কেন হয় এর থেকে বাচার উপায়
- ফ্যাটি লিভার কেন হয় এর থেকে বাচার উপায়
- ফ্যাটি লিভার কি
- ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারন
- ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ সমূহ
- শিশুদের ফ্যাটি লিভার কেন হয়
- ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা
- কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
- সঠিক খাদ্যের তালিকা
- জীবনযাত্রায় আর কি পরিবর্তন আনবেন
- শেষ কথা
ফ্যাটি লিভার কেন হয় এর থেকে বাচার উপায়
সুখবর হলো ফ্যাটি লিভার প্রাথমিক ধাপগুলো জীবনযাত্রার পরিবর্তন আনার মাধ্যমে
সম্পূর্ণ ভালো করা সম্ভব থেকে বাঁচতে নিজের নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। সঠিক খাদ্য
অভ্যাস অনুসরণ খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন আনা ফ্যাটি লিভারের প্রতিরোধের সবচেয়ে
কার্যকরী উপায়
মিষ্টি চকলেট বিস্কুট এবং প্যাকেট জাট ফলের রস খাওয়া বন্ধ করতে হবে অতিরিক্ত
চিনি বা খুন নির্ভর করবে তৈরি করে, চোদা বা যেকোনো ধরনের কমল পানি থেকে পুরোপুরি
দূরে থাকতে হবে, তৈলত্ত ভাজাপোড়া খাবার বাদ দিতে হবে বাইরের ভাজা পুরা খাবার
অতিরিক্ত তৈলাক্ত ঘিযুক্ত খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিক্
খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণ তাজা শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন এছাড়া লাল চালের
ভাত ব্রাউন রাইস এবং ডাল জাতীয় খাবার খাওয়া খুব উপকারী। ওজন বেঁচে থাকলে তা
কমানোর চেষ্টা করতে হবে, শরীরে ওজন থেকে পাঁচ থেকে দশ শতাংশ ওজন ধীরে
ধীরে কমাতে পারলে লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যায় তবে দ্রুত ওজন
কমানো লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে তাই বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে ওজন
কমাতে হবে
নিয়মিত ব্যায়াম শারীরিক পরিশ্রম লিভারে স্বাস্থ্য ভালো রাখে সপ্তাহে
অন্তত দেড়শ মিনিট প্রতিদিন ৩০ মিনিট সপ্তাহে সপ্তাহে পাঁচ দিন মাঝারি ধরনের
ব্যায়াম যেমন দ্রুত হাঁটা সাইকেল চালানো সাঁতার কাটা উচিত, ব্যায়াম করার
ফলে ওজন কমে ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়ি এবং লিভারের চর্বি ঝরে যায়
আল কলহ লিভার কোর্স গুলোকে ধ্বংস করে তাই লিভার সুস্থ রাখতে আল-কলাপান থেকে বিরত
থাকা জরুরী এছাড়াও ধূমপান পরিহার করা উচিত কারণে টিপাটি লিভারের ক্ষতি বাড়িয়ে
দেয় আপনার যদি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকে তবে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ রাখতে
হবে নিয়ন্ত্রণ ও ওষুধ সেবনবনে এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে লিভারের ক্ষতি
রোধ করা সম্ভব । যেকোন ভিটামিন বা আয়ুর্বেদী ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের
পরামর্শ নিতে হবে অনেক সময় ভুল ওষুধ বা ভিটামিন লিভারের উপর বাড়তে চাপ ফেলে।
ফ্যাটি লিভার কি
ফ্যাটি লিভার আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় গ্রহ গুলো একটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয় এবং খাবারের হজম সাহায্য করে এটি সুস্থ লিভার অল্প পরিমাণ থাকে চর্বি থাকে। কিন্তু চর্বির পরিমাণ যখন লিভারে মো মোট ওজনে পাঁচ শতাংশ ছাড়িয়ে যায় তখন তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।ফ্যাটি লিভার মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে এর পেছনে কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো
নন-আল কোহেনিক ফ্যাটি লিভার বিজি জি যারা এল কল বা মদ পান করেন না তাদেরও ফ্যাটি লিভার
হতে পারে এর প্রধান কারণ গুলো হলো
ওজন বৃদ্ধি : অতিরিক্ত ওজন বা ফ্যাটি লিভার অন্যতম প্রধান কারণ শরীরে বেশি চর্বি
থাকলে তা লিভার এগিয়ে জমা হয়, ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ফ্যাটি
লিভার হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি থাকে, ইন্সুলিন যখন শরীরকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে
না পারে তখন লিভারে ফ্যাট বা চর্বি জমতে শুরু করে , রক্তে
ক্ষতিকরও কোলেস্ট্রল মাত্রা বেশি থাকলে লিভারের ক্ষতি হয়,
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার কোমল পানিও ফাস্টফুড এবং প্রক্রিয়া জাত খাবার কারণে
ফ্যাটি লিভার হয়
এই খাবার গুলোতে এক ধরনের মিষ্টি থাকে যা সরাসরি লিভারে চর্বি তৈরি করে, অ্যালকোহলহিন ফ্যাটি লিভর , অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহলিক পান করার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয় ,লিভার অ্যালকোহল ভাঙতে গিয়ে অতিরিক্ত চর্বি তৈরি করে। দীর্ঘস্থায়ী মদ্য পান লিভারে স্থায়ী ক্ষতি করে, সারাদিন বসে কাজ করা এবং শারীরিক পরিশ্রম না করার কারণে শরীরে ক্যালরি জমতে থাকএ, যা পরবর্তীতে লিভারে ফ্যাট হিসাবে জমা হয়
ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ সমূহ
সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার কোন স্পষ্ট লক্ষণ বোঝা যায় না, তবে
রোগটি বাড়তে থাকলে কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পার্ সব সময় ক্লান্ত দূর্বল
লাগা, পেটের ডান পাছে উপরের দিকে হালকা ব্যথা বা অস্থির ভাব লাগ, খুদা কমে
যাওয়া হজমের সমস্যা, গ্যাস বা পেট ফোলা ভাব বমি বমি ভাব হতে পারে।
শিশুদের ফ্যাটি লিভার কেন হয়
আগে মনে করা হতো ফ্যাটি লিভার শুধু বয়স্কদের রোগ কিন্তু বর্তমান শিশুদের মধ্যেও
এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে এর মূল কারণ হলো কোমল পানি জ্যাম ফ্রুট খাবার ভিডিও গেম বা
টিভির সামনে অলস সময় কাটানো হবে এবং তাদের খেলাধুলা প্রতি উৎসাহিত করতে হবে
ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ
ফ্যাটি লিভার হওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ দায়ী থাকতে পারে, শরীরে ওজন অস্বাভাবিক
বেশি হলে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়, বিশেষ করে পেটে বা কোমরের
চারপাশে মেদ জমলে ফ্যাটি লিভার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে, রক্তে শতকরা মাত্রা
বেড়ে গেলে শরীরে ইন্সুরেন্ট ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারেনা একেই রুলিন রেজিস্ট্রেশন
বলে এটি লিভার অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া হার বাড়িয়ে দেয়
প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি কোমল পানি ফাস্টফুড এবং অতিরিক্ত তেল ভাজা খাবার খেলে
ফ্যাটি লিভার হয়. প্যাকেটজাত খাবার থাকা অতিরিক্ত ফুক্টোজ লিভারে সরাসরি
চর্বি হিসাবে জমা হয়, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ নামক ক্ষতিকর পরিমাণ
বেশি থাকলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা ।
অতিরিক্ত অ্যালকেনোভা সেবনে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে খেলে। লিভারে চর্বি ভাঙতে পারে না, এবং লিভারের কোচ চর্বি জমতে থাক, খুব দ্রুত বা ডায়েট করে ওজন কমালেও লিভারের বিপাক ক্রিয়া সমস্যা হয়। এতে ফ্যাটি লিভার হতে পারে।
ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা
ফ্যাটি লিভার আছে কিনা তা বোঝার জন্য সাধারণত ডাক্তার কিছু পরীক্ষা দিয়ে থাকে।
পেটের আলতা সন বা ছবি তোলার মাধ্যমে লিভারের চর্বি উপস্থিত খুব সহজেই ধরা পড়ে।
লিভারের কার্যকারিতা ঠিক আছে কিনা তা দেখতে রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
লিভার শক্ত হয়ে যাওয়া এবং চর্বির পরিমাপ দেখার জন্য এটি আধুনিক
পরীক্ষা। ফ্যাটি লিভারের জন্য নির্দিষ্ট কোন ওষুধ নেই এর আসল চিকিৎসা হলো
খাদ্যর অভ্যাস জীবনযাত্রা।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে ভয়ে কিছু নাই তবে পেটে অতিরিক্ত ব্যথা
হলে জন্ডিস দেখা দিলে যোগ বা প্রস্রাব হলুদ হয়ে গেলে বা পা ফুলে গেলে দেরি না
করে দ্রুত যদি চোখে পরামর্শ নিতে হবে
সঠিক খাদ্যের তালিকা
ফ্যাটি লিভার আক্রান্ত হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা কিছু বিশেষ খাবার রাখা উচিত।অ্যান্ট্রিআকিডেন্ট থাকে যা লিভারে চর্বি কমাতেসাহায্য করে । রসুন নে থাকা উপকার লিভারের এনজাইম শাস্ত্রীয় করতে সাহায্য করে যা শরীর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়। হলুদ প্রদাহ ইনফেক্ট কমাতে খুব ভালো কাজ করে লিভারের কোড গুলোকে সুরক্ষিত রাখে। লেবুর রস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে তা লিভারের টক্সিন দূর করে সাহায্য করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়।
আপেল ও সবুজ শাকসবজি আপেল থেকে পেগনেট নামক উপাদান শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর
করে। পালং শাক ও ব্রেকিং লিতে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল লিভারের সুরক্ষায় কাজ
করে
জীবনযাত্রায় আর কি পরিবর্তন আনবেন
ধীরে ধীরে খাবার খান তাড়াহুড়ো করে খাবার খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায় তাই
খাবারের সময় নিয়ে চিবিয়ে খান। পর্যন্ত ঘুম প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা
ঘুমানো জরুরী ঘুমের অভাব সরিলে মন বাড়িয়ে দেয়। বা লিভারের চর্বি বাড়াতে
ভূমিকা রাখে। চোর বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলুন হাসিবা গরুর মাংসের মত লাল মাংস বা
রেড মিট খাওয়া কমাতে হবে এর বদলে মাছ ও মুরগি বুকের মাংস খাওয়া যেতে পারে। তেল
নির্বাচনের সতর্কতা রান্নায় ক্ষতিকর তেল এর পরিবর্তে অলিভ অয়েল বা সূর্যমুখী
তেল ব্যবহার করা ভালো।
শেষ কথা
লিভার আমাদের শরীরে ফিল্টার এই ফিল্টারটি সুস্থ রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব,
অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন অতিরিক্ত চিনি ফাস্টফুট খাওয়ার কারণে ।মূলত ফ্যাটি
লিভারের মতো রোগ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে ,এ সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে বাইরের
খাবার পরিহার করে হবে , ঘরে তৈরি ভাজা সুস্বাদু খাবার খাওয়া অভ্যাস
করতে হবে। পাশাপাশি নিয়ম করে ব্যায়াম করতে হবে ,ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই আপনাকে
ফ্যাটি লিভারের মতো নিরব আঘাত থেকে বাঁচাতে পারে এবং সুরক্ষিত রাখতে
পারে
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url